রোযা অবস্থায় মুখে অধিক পরিমাণ থুথু জমা করে গিলে ফেললে...
রোযা সহীহ, তবে ইচ্ছাকৃতভাবে জমা করলে মাকরূহ
কাযা ওয়াজিব
রোযা ফাসেদ, কারণ তা শরীরের তরল পুনঃপ্রবেশ
রোযা সহীহ এবং এতে কোনো অপছন্দনীয়তা নেই
Question 2
রমযান মাসে রাতে নিয়ত না করে দিনের বেলা ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করার বিধান কী?
কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টাই
কিছুই নয়
শুধু কাফ্ফারা
শুধু কাযা
Question 3
রোযা অবস্থায় কুলি করতে গিয়ে অনিচ্ছাবসত পানি কণ্ঠনালীতে চলে গেলে...
রোযা সহীহ, কারণ অনিচ্ছাকৃত
রোযা ফাসেদ; কাযা ওয়াজিব
কাফফারা ওয়াজিব
গুনাহ না থাকলে রোযা সহীহ
Question 4
কোনো ব্যক্তি কাযা রোযা জিম্মায় থাকা অবস্থায় মারা গেলে তার ফিদিয়া আদায়ের সঠিক নিয়ম কোনটি/কোনগুলো?
ফিদিয়া আদায়ের মাধ্যমে আশা করা যায় যে আল্লাহ মৃত ব্যক্তির রোজা রাখতে না পারার গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।
ওছিয়ত না করলে ওয়ারিশদের ওপর ফেদিয়া দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, তবে তারা নিজেদের সম্পদ থেকে দিলে আল্লাহ তা কবুল করতে পারেন।
মৃত ব্যক্তি যদি ওছিয়ত করে গিয়ে থাকেন, তবে তার রেখে যাওয়া সম্পদ থেকে নিয়ম অনুযায়ী ফেদিয়া আদায় করা হবে।
মৃত ব্যক্তির পরিবর্তে তার ওয়ারিশরা নিজেরা রোযা রেখে দিলে মৃত ব্যক্তির রোযা আদায় হয়ে যাবে।
Question 5
রোযা অবস্থায় দাঁতে ছোলা বুটের চেয়ে ছোট বস্তু আটকে থাকলে তা মুখ থেকে বের করে গিলে ফেললে...
রোযা ফাসেদ হবে এবং কাযা ওয়াজিব
রোযা ফাসেদ হবে না, কারণ বস্তু ক্ষুদ্র
রোযা সহীহ, তবে মাকরূহ
ক ও গ উভয়টিই সঠিক।
Question 6
মহিলাদের এ'তেকাফের স্থান ও বৈধতা সংক্রান্ত নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
মহিলারা সওয়াব বেশি পাওয়ার জন্য জামে মসজিদে এ'তেকাফ করবে।
ঘরের যেকোনো সাধারণ জায়গায় পর্দা ছাড়া বসলে এ'তেকাফ হয়ে যাবে।
স্বামী উপস্থিত থাকলেও তার অনুমতি নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
মসজিদে মহিলাদের এ'তেকাফ করা মাকরূহে তাহরীমী; তারা ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে বসবে।
Question 7
বছরে যে পাঁচ দিন রোযা রাখা নিষিদ্ধ বা হারাম, সেই দিনগুলো কোনগুলো?
শবে বরাতের দিন, শবে কদরের দিন, আশুরার দিন এবং ঈদুল আযহার পরের ২ দিন।
মহরমের ১০ তারিখ ও আরাফার দিন এবং ঈদুল আযহার পরের ৩ দিন।
ঈদুল ফিতরের দিন, ঈদুল আযহার দিন এবং ঈদুল আযহার পরের ৩ দিন।
দুই ঈদের দুই দিন, আরাফার দিন ও ঈদুল আযহার পরের ২ দিন।
Question 8
কোনো রোগীর অবস্থা অত্যন্ত জটিল হলে ইনহেলার ব্যবহারের বিষয়ে শরীয়তের বিধান কী?
প্রাণনাশের ঝুঁকি থাকলে দিনের বেলাও ইনহেলার ব্যবহার করার অবকাশ বা অনুমতি রয়েছে।
অসুস্থতার ওজরে রোযা ভেঙে ইনহেলার ব্যবহার করলে কোনো গুনাহ হবে না, তবে পরে ১টি কাযা করতে হবে।
জটিল অবস্থায় দিনে ইনহেলার ব্যবহার করলে ওই দিনের রোযাটির কাযা আদায় করতে হবে।
জটিল রোগী হলে ইনহেলার ব্যবহার করার পর সাথে সাথে কাফফারা হিসেবে ৬০টি রোযা রাখতে হবে।
Question 9
প্লেনে সফরকালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও সূর্যাস্ত না ঘটে, তবে ইফতারের শরয়ী সময়সীমা কোনটি?
২৪ ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ইফতার করা।
পার্শ্ববর্তী দেশের সূর্যাস্তের সময় অনুসরণ করা।
২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর প্রথম সুযোগে ইফতার করা।
পরবর্তী দিনের সূর্যোদয় পর্যন্ত অপেক্ষা করা।
Question 10
শৌচকর্মের সময় যদি "প্রকৃতপক্ষেই" শরীরের ভেতরে পানি প্রবেশ করে, তবে রোজার ওপর তার চূড়ান্ত প্রভাব কী হবে?
অনিচ্ছাকৃত হলে রোজা ভাঙবে না।
রোজা মাকরূহ হবে কিন্তু ভাঙবে না।
রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
কেবল সওয়াব কমে যাবে, তবে রোজা শুদ্ধ থাকবে।
Question 11
নিম্নের কোন কোন বিরতির ফলে কাফ্ফারার রোযার ধারাবাহিকতা ভেঙে যাবে এবং পুনরায় পূর্ণ ৬০টি রোযা শুরু করতে হবে? ১) হায়েয (মাসিক) ২) নেফাস (প্রসব-পরবর্তী রক্তস্রাব) ৩) মাঝখানে নতুন রমযান এসে যাওয়া ৪) অসুস্থতার কারণে রোযা ভঙ্গ ৫) সফরের কারণে রোযা না রাখা
৪,২,৩
৫,৪,২,৩
৩,২,৪,১
৫,৩,২
Question 12
ইফতার করার জন্য সবচেয়ে উত্তম সময় কোনটি?
সূর্যাস্তের সাথে সাথে
মাগরিব নামাজের পরে
মাগরিব আযানের পরে
সূর্যাস্তের ১০ মিনিট পর
Question 13
কেউ যদি রাত ১০টার দিকে রোযার নিয়ত করে, তবে সুবহে সাদেকের আগে পর্যন্ত রোযা ভঙ্গকারী কাজগুলো করার ব্যাপারে কী হুকুম?
নিয়ত করার মাধ্যমে যেহেতু রোযা শুরু হয়ে গেছে, তাই পানাহার থেকে বিরত থাকা ওয়াজিব।
সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত তার জন্য পানাহার ও স্ত্রী সহবাস বৈধ থাকবে।
নিয়ত করার পর কেবল পানাহার করা যাবে, তবে যৌনকর্ম থেকে বিরত থাকা সতর্কতামূলক সুন্নত
নিয়ত করার পর পানাহার ও যৌনকর্ম থেকে বিরত থাকা সতর্কতামূলক সুন্নত
Question 14
সুন্নাত এ'তেকাফ শুরু ও শেষের সঠিক সময় কোনটি?
২০ রমযান ফজর থেকে ঈদের চাঁদ দেখা পর্যন্ত।
২০ রমযান সূর্যাস্তের পূর্ব থেকে ঈদের চাঁদ দেখা পর্যন্ত।
২১ রমযান সূর্যাস্ত থেকে ১লা শাওয়াল ফজর পর্যন্ত।
২১ রমযান সূর্যাস্তের পূর্ব থেকে ঈদের নামায পর্যন্ত।
Question 15
কিয়ামতের দিন রোজা কীভাবে সাহায্য করবে?
শুধু সওয়াব দেবে
পুলসিরাত পার করে দিবে
সুপারিশ করবে
পথ দেখাবে
Question 16
ইনজেকশন বা টীকার ক্ষেত্রে নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
যেকোনো ধরনের ইনজেকশন লাগালে রোজা ভেঙে যায়।
চিকিৎসার প্রয়োজনে টীকা বা ইনজেকশন লাগানো বৈধ।
কষ্ট লাঘবের উদ্দেশ্যে শক্তির ইনজেকশন লাগানো মাকরূহ।
কেবল মাংসপেশিতে ইনজেকশন নেওয়া জায়েজ, শিরায় নয়।
Question 17
বিনা প্রয়োজনে এ'তেকাফকারী মসজিদের সীমানার বাইরে গেলে কী হবে?
কেবল মাকরূহ হবে
১ ঘণ্টা বাইরে থাকলে ভাঙবে
এ'তেকাফ ফাসেদ হয়ে যাবে
গুনাহ হবে কিন্তু ভাঙবে না
Question 18
জিহ্বার নিচে ব্যবহৃত এ্যারোসোল স্প্রে সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যগুলো "সঠিক"?
এটি ব্যবহারের পর ওষুধটি শিরার মাধ্যমে সরাসরি রক্তে মিশে গেলে রোযা ভাঙবে না।
ওষুধের কোনো অংশ যদি লালার সাথে মিশে গলার নিচে (পাকস্থলীতে) চলে যায়, তবে রোযা ভেঙে যাবে।
এটি যেহেতু মুখ দিয়ে প্রবেশ করানো হয়, তাই ব্যবহার করার সাথে সাথেই রোযা ভেঙে যাবে।
এই ওষুধটি ব্যবহার করলে রোযা মাকরূহ হয় কিন্তু কাযা করতে হয় না।
Question 19
দুইজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির সাক্ষ্যে রোযা শুরু করার পর যদি ৩০ দিন পূর্ণ হয় কিন্তু শাওয়ালের চাঁদ দেখা না যায়, তবে বিধান কী?
৩১তম দিনটিকে শাওয়ালের ১ তারিখ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
আকাশ পরিষ্কার থাকলে ৩১তম দিন রোযা রাখা যাবে না।
চাঁদ দেখা না যাওয়া পর্যন্ত রোযা চালিয়ে যেতে হবে।
সেদিন ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে হবে।
Question 20
রোযাদারদের জন্য কেয়ামতের দিন জান্নাতে যে বিশেষ দরজা রয়েছে তার নাম কী?
মাওয়া
নাঈম
সালাহ
রাইয়ান
Question 21
সাহরী খাওয়ার সময়ের ক্ষেত্রে শরীয়তের সর্বোত্তম ও পছন্দনীয় পদ্ধতি কোনটি?
মধ্যরাতে খাবার খেয়ে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া যাতে ইবাদতে বিঘ্ন না ঘটে।
সুবহে সাদেকের যতটুকু সম্ভব নিকটবর্তী সময়ে বিলম্বে সাহরী গ্রহণ করা।
সুবহে সাদেকের অন্তত এক ঘণ্টা আগে পানাহার সম্পন্ন করা।
সেহরি এবং সুবহে সাদেকের মাঝে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান রাখা।
Question 22
মৃত ব্যক্তির রোযার ফেদিয়া সম্পর্কে নিচের কোন বিবৃতিগুলো "ভুল"?
ওছিয়ত না করলে ওয়ারিশরা টাকা দিলেও মৃত ব্যক্তির কোনো উপকার হবে না।
ওয়ারিশরা যদি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ফেদিয়া দেয় (ওছিয়ত ছাড়া), তবে সবার সম্মতি ছাড়া তা দেওয়া জায়েজ হবে না।
মৃত ব্যক্তির যদি কোনো সম্পদ না থাকে, তবে তার রোযাগুলো মাফ হয়ে যাবে এবং ফেদিয়া দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
প্রতি ১টি কাযা রোযার পরিবর্তে ১টি সাদকায়ে ফিতর (ফিতরা) পরিমাণ পণ্য বা মূল্য দান করতে হবে।
Question 23
কেউ একাকী রমযানের চাঁদ দেখে রোযা শুরু করল, কিন্তু তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়নি। পরে তার ত্রিশ রোযা পূর্ণ হলেও ঈদের চাঁদ দেখা গেলো না। তার করণীয় কী?
কোনো মহিলা যদি ওষুধের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে মাসিক বন্ধ রেখে রমযানের পুরো রোযা আদায় করেন, তবে শরীআতের দৃষ্টিতে তার সেই রোযাগুলোর বিধান কী হবে?
রক্ত দেখা গেলেও রোযাগুলো সহীহ হবে, কারণ এই রক্ত ইস্তেহাজার (অসুস্থতার) রক্ত মাসিকের রক্ত নয়।
রোযা সহিহ হলেও এটি গুরুতর গুনাহ, কারণ এটি সৃষ্টিগত স্বাভাবিক নিয়ম পরিপন্থী কাজ।
ওষুধ ব্যবহারের কারণে রক্ত দেখা না দিলেও তাকে ঋতুবর্তী হিসেবে গণ্য করে রোযা ত্যাগ করতে হবে।
রোযাগুলো সহীহ হবে, যতক্ষণ না প্রকৃতপক্ষে রক্ত দেখা যাচ্ছে।
Question 26
যদি কোনো মহল্লায় এ'তেকাফে বসার মতো কেউ না থাকে, তবে টাকার বিনিময়ে কাউকে এ'তেকাফে বসানোর শরয়ী বিধান কী?
গরীব ব্যক্তিকে পারিশ্রমিক দিয়ে বসানো জায়েজ।
সুন্নাতে কেফায়া আদায়ের লক্ষ্যে এটি একটি উত্তম বিকল্প।
পারিশ্রমিকের বিনিময়ে এ'তেকাফে বসা বা বসানো উভয়টিই না জায়েজ ও গোনাহ।
পারিশ্রমিকের বিনিময়ে এ'তেকাফে বসা বা বসানো উভয়টিই জায়েজ
Question 27
নিচের কোন কোন উপায়ে চাঁদ প্রমাণ করা শরীয়ত অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়?
নিজের চোখে চাঁদ দেখা
পঞ্জিকা দেখে আন্দাজ করা
চাঁদ বড় বা ছোট মনে হওয়া
শুধু জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের উপর নির্ভর করা
Question 28
রমযানের ফরজ রোযার নিয়ত করার সর্বশেষ সময় কোনটি?
সুবহে সাদেকের পূর্বে
সূর্যাস্ত পর্যন্ত
কেবল রাতের বেলায়
সূর্য ঢলে যাওয়ার প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা আগ পর্যন্ত
Question 29
কোন রোজার নিয়ত কখন করতে হয়?
নির্দিষ্ট দিনের মান্নতের রোযা, রমযানের রোযা, কাজা ও নফল রোযার নিয়ত সুর্য ঢলে যাওয়ার দেড় ঘণ্টা আগ পর্যন্ত করা যায়।
অনির্দিষ্ট দিনের মান্নতের রোযা, কাজা, কাফফারা ও রমযানের রোযার নিয়ত সুবহে সাদিকের আগে করতে হয়।
অনির্দিষ্ট দিনের মান্নতের রোযা, কাজা ও কাফফারার নিয়ত সুবহে সাদিকের আগে করতে হয়।
নির্দিষ্ট দিনের মান্নতের রোযা, রমযানের রোযা ও নফলের নিয়ত সুর্য ঢলে যাওয়ার দেড় ঘণ্টা আগ পর্যন্ত করা যায়।
Question 30
পারিভাষিক অর্থে সাওম কাকে বলে?
রোযার নিয়তে সুবহে সাদিক থেকে পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও রোযা ভঙ্গকারী সকল কাজ থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিরত থাকা।
প্রত্যেক সজ্ঞান, বালেগ, মুসলমান নর-নারীর সূর্যদয় থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত রোযার নিয়তে পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকা।
সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত স্ত্রী সহবাস ও রোযাভঙ্গকারী সমস্ত কাজ থেকে বিরত থাকা।
রোযার নিয়তে সুবহে সাদিক থেকে সূর্য ঢলা পর্যন্ত স্ত্রী সহবাস ও রোযাভঙ্গকারী সমস্ত কাজ থেকে বিরত থাকা।
Question 31
জনৈক ব্যক্তি গভীর নিদ্রার কারণে সাহরীর সময় অতিবাহিত হওয়ার পর জাগ্রত হলেন। শরীয়তের বিধান অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তির জন্য পরবর্তী কাজ কোনটি?
সাহরী না খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বিধায় সেদিন রোযা ভঙ্গ করা জায়েয।
সাহরী খেতে না পারলেও রোযা পূর্ণ করা আবশ্যক এবং রোযা ত্যাগ করা গুরুতর গোনাহ।
ঘুম থেকে ওঠার পর সামান্য কিছু পানাহার করে রোযার নিয়ত করা।
যেহেতু সাহরী খাওয়া সুন্নাত এবং তিনি তা খেতে পারেননি, তাই সেদিন রোযা না রেখে পরে কাযা করে নেওয়া।
Question 32
রমযানের চাঁদ যদি মাত্র একজন লোক দেখে, কিন্তু সে ব্যক্তি শরীঅতের পাবন্দ না হয়, তার সাক্ষ্যের ফল কী এবং তার নিজের করণীয় কী?
তার সাক্ষ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হবে
তার সাক্ষ্যে সকলেই রোযা রাখবে
তার সাক্ষ্যে কেউই রোযা রাখবে না
তার সাক্ষ্যে সে নিজে রোযা রাখবে
Question 33
শরীয়তের দৃষ্টিতে নিচের কোন পরিস্থিতিতে একজন ব্যক্তির জন্য রোযা না রাখা বা ভেঙে ফেলা বৈধ এবং পরবর্তীতে কেবল ‘কাযা’ করা ওয়াজিব হয়?
নতুন রোগ সৃষ্টি হওয়ার ভয়ে, হায়েয-নেফাস বা দুগ্ধদানকারী মায়ের সন্তানের জীবনের ঝুঁকিতে ও পরীক্ষার প্রস্তুতির কারণে ক্লান্তি অনুভব করে রোযা ছাড়া।
অধিক পরিশ্রমের কাজ করার কারণে, নতুন রোগ সৃষ্টি হওয়ার ভয়ে ও হায়েয-নেফাস বা দুগ্ধদানকারী মায়ের সন্তানের জীবনের ঝুঁকিতে রোযা ছাড়া।
শরীয়তসম্মত মুসাফির হওয়া, দ্বীনদার চিকিৎসকের পরামর্শে রোগ বৃদ্ধি বা আরোগ্য বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা , নতুন রোগ সৃষ্টি হওয়ার ভয়ে, হায়েয-নেফাস বা দুগ্ধদানকারী মায়ের সন্তানের জীবনের ঝুঁকিতে রোযা ছাড়া।
রোযার নিয়ত করার পর সফর শুরু করে ক্ষুধা অনুভব করায় রোযা ভাঙা, বার্ধক্যজনিত স্বাভাবিক দুর্বলতা এবং শুধু নিজের আশঙ্কায় রোগ বৃদ্ধির ভয়ে রোযা না রাখা।
Question 34
রোযা অবস্থায় একজন ব্যক্তি এক দেশে রমযান শুরু করার পর অন্য দেশে চলে গেল। সেখানে যদি তার নিজ দেশের তুলনায় আগে ঈদ হয়ে যায়, তাহলে শরঈভাবে তার করণীয় কী?
কমে যাওয়া রোযার জন্য কাফফারা দিতে হবে
স্থানীয় ঈদ করলেই তার দায়িত্ব সম্পূর্ণ শেষ
নিজের দেশের হিসাব পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত রোযা অব্যাহত রাখবে
স্থানীয় দেশের অনুসরণ করে ঈদ করবে এবং নিজের দেশের হিসাবে যে রোযা কম হয়েছে তার কাযা করবে
Question 35
ফিদিয়ার পরিমাণ সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যগুলো "ভুল"?
একটি রোযার বদলে টানা ৬০ দিন রোযা রাখা।
ফিদিয়া হিসেবে কেবল কাপড় চোপড় দান করা।
প্রতিটি রোযার জন্য এক সাদকায়ে ফিতর (ফিতরা) পরিমাণ পণ্য বা তার মূল্য দান করা।
একটি রোযার জন্য একজন মিসকিনকে দুই বেলা পেট ভরে খাওয়ানো বা তার সমপরিমাণ টাকা দেওয়া।
Question 36
রোযা অবস্থায় ইনসুলিন গ্রহণ করার সঠিক বিধান কোনটি?
ইফতারের আগে ইনসুলিন নেওয়া জায়েজ এবং এতে রোযার কোনো ক্ষতি হয় না।
ইনসুলিন নিলে রোযা মাকরূহ হয়, তবে ভেঙে যায় না।
ইনসুলিন কেবল রাতে নেওয়া যাবে, দিনে নিলে কাযা ওয়াজিব হবে।
ইনসুলিন নিলে রোযা ভেঙে যাবে, কারণ এটি সরাসরি শরীরে প্রবেশ করে।
Question 37
নিচের কোন বিষয়টি রোযাদারের জন্যে আনন্দের কারণ?
রাইয়ান নামক দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
পরকালে সিদ্দীকীন ও শহীদদের দলভুক্ত থাকবে।
তার মুখ থেকে মিশকের চেয়েও সুগন্ধ বের হবে।
ইফতার করা ও আল্লাহর সাথে মিলিত হয়ে পুরষ্কার পাওয়া।
Question 38
৬০ জন মিসকীনকে খাওয়ানোর পরিবর্তে ১ জন মিসকীনকে খাওয়ালে কাফফারা আদায়ের সঠিক নিয়ম কোনটি?
কোনো নিয়ম নেই, যেভাবে খুশি দেওয়া যায়।
১ জন মিসকীনকে এক সপ্তাহের খাবার একসাথে দিয়ে দেওয়া।
১ জন মিসকীনকে ৬০ দিন দু’বেলা তৃপ্তি সহকারে খাওয়ানো, বিরতি গেলে আদায় হবে না।
১ জন মিসকীনকে ৬০ দিন দু’বেলা তৃপ্তি সহকারে খাওয়ানো।
Question 39
রোজা পালনের মাধ্যমে কোন কোনটি অর্জিত হয়?
ঈমান মজবুত হয়।
অন্তরের অসুস্থতা দূর হয়।
তাওয়াক্কুল
তাকওয়া
Question 40
রোজা অবস্থায় থুথু গিলে ফেলার শরয়ী বিধান কী?
যদি থুথুর পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তবে রোজা ভেঙে যাবে।
এটি মাকরূহ, কারণ থুথু বাইরে ফেলে দেওয়াই উত্তম।
এটি পানাহারের অন্তর্ভুক্ত বিধায় রোজা ভেঙে যাবে।
এটি সম্পূর্ণ বৈধ এবং এতে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না।
Question 41
যে ব্যক্তি ঈমান ও আশা নিযে রোজা রাখে, তার জন্য কী পুরস্কার রয়েছে?
আসমান জমিনের সমান জান্নাত
রিযিক বৃদ্ধির মাধ্যমে জাগতিক কল্যান
সব গুনাহ মাফ
আরশের ছায়ায় অবস্থান
Question 42
রোযার নিয়ত সম্পর্কিত সঠিক বিষয়...
রোযাতে নিয়তের কোন ভিত্তি নেই
মুখে নিয়ত করা ফরয
নিয়ত ছাড়া রোযা হবে না
নিয়ত ছাড়াই রোযা হয়ে যাবে
Question 43
পরিষ্কার আকাশে চাঁদ প্রমাণিত হওয়ার শর্ত...
ব্যাপক জনসাক্ষ্য
স্থানীয় ঘোষণা
একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি
এমন সংখ্যা যাতে মিথ্যার ধারণা না থাকে
Question 44
একজন ব্যক্তি ইফতারের সময় খেজুর ও পানি উভয়ই কাছে পেলেন। শরীয়ত অনুযায়ী তার করণীয় কী?
বরকতের জন্য প্রথমে সামান্য লবণ চেখে তারপর পানি পান করা।
উত্তম হলো খেজুর দিয়েই শুরু করা, এরপর পানি পান করা।
প্রথমে পানি পান করে গলা ভিজিয়ে নেওয়া, তারপর খেজুর খাওয়া।
যেকোনো একটি দিয়ে শুরু করলেই হবে, যেহেতু দুটিই উত্তম।
Question 45
রোযা ফরয হওয়ার শর্তসমূহ কোনগুলো?
মুসাফির হওয়া
আকেল হওয়া
সুস্থ হওয়া
বালেগ হওয়া
Question 46
ইফতারের আগে রোজা ভেঙ্গে ফেলার কী শাস্তি বর্ণনা করা হয়েছে ?
জিহব্বা কেটে ফেলা হয়েছে এবং মুখের দুই প্রান্ত ছিড়ে ফেলা হয়েছে।
পায়ের মাংসপেশী দ্বারা তাকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং মুখের দুই প্রান্ত ছিড়ে ফেলা হয়েছে।
তাদের পায়ের মাংস পেশীর দুই প্রান্ত ছিড়ে ফেলা হয়েছে ও ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে
তাদের মুখের দুই প্রান্ত ছিড়ে মুখের মাংসপেশী দ্বারা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
Question 47
সাহরী খাওয়ার বিধান সম্পর্কে নিচের কোনটি শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক?
সাহরী না খেলে রোযার সাওয়াব অর্ধেক হয়ে যায়।
সাহরী খাওয়া রোযা সহীহ হওয়ার জন্য একটি অপরিহার্য বা জরুরি শর্ত।
ক্ষুধা না থাকলে সাহরী বর্জন করা করাই উত্তম, কারণ জোর করে খাওয়া অপচয়।
এটি একটি সুন্নাত এবং অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ আমল, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।
Question 48
ইনহেলার ব্যবহারকারী একজন রোযাদারের জন্য নিচের কোন পরামর্শগুলো "সঠিক"?
ইনহেলার ব্যবহার করলে যেহেতু পেট ভরে না, তাই কাযা বা কাফফারা কোনোটিই লাগবে না।
রোযা রাখা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করলে কোনোভাবেই রোযা ভাঙবে না, তাই যখন ইচ্ছা ব্যবহার করা যাবে।
যদি সম্ভব হয়, সাহরীতে এক ডোজ এবং ইফতারে এক ডোজ নিয়ে দিনের বেলা এটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা।
চিকিৎসক থেকে জেনে নেওয়া যে দিনের বেলা ইনহেলার ব্যবহার না করে ইফতার পর্যন্ত বিলম্ব করা সম্ভব কি না।
Question 49
এক ব্যক্তি সুবহে সাদেকের পরে কাযা রোযার নিয়ত করল এবং সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকল। তার রোযার শরয়ী অবস্থা কী?
নিয়তের সময় বিলম্ব হলেও কাযা বহাল
কাযা সহীহ নয়; তবে নফল হিসেবে গণ্য
কাযা সহীহ; কারণ বিরত থাকা মূল বিষয়
রোযা বাতিল; কোনো রূপে গণ্য নয়
Question 50
একজন দীর্ঘমেয়াদী রোগী সুস্থ হওয়ার আশা না থাকায় ১০টি রোযার ফেদিয়া আদায় করেছেন। কিন্তু দুই বছর পর তিনি অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে রোযা রাখার শক্তি ফিরে পেলেন। এমতাবস্থায় ইসলামি বিধান অনুযায়ী তার করণীয় কী?
তাকে রোযার পরিবর্তে আবার দ্বিগুণ হারে ফেদিয়া দিতে হবে।
তাকে আর কিছুই করতে হবে না, কারণ তিনি ফেদিয়া দিয়ে দিয়েছেন।
তাকে শুধু তওবা করতে হবে এবং সামনের রোযাগুলো রাখতে হবে।
তাকে আগের ১০টি রোযার কাযা আদায় করতে হবে এবং পূর্বের ফেদিয়ার সওয়াব তিনি আলাদাভাবে পাবেন।